মরে গেলে জানবো না—
এই কথাটাই আজ আমাকে বাঁচিয়ে রাখে,
কারণ জানতে না পারার ভেতরেই
লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত নিশ্চয়তা।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি—
চোখ দুটো নড়ে, ঠোঁটও কাঁপে,
কিন্তু ভেতরের মানুষটা
কবে যেন চুপ করে গেছে।
রাস্তায় হেঁটে যাই প্রতিদিন,
মানুষ দেখি, আলো দেখি, শব্দ শুনি—
সবকিছু ঠিকঠাক, নিয়মমাফিক,
শুধু আমার ভেতরের ঘড়িটা থেমে আছে।
কেউ জিজ্ঞেস করে না—
“তুমি আসলে বেঁচে আছো তো?”
আমিও উত্তর দিই না,
কারণ উত্তরটা আমিও জানি না।
হয়তো বেঁচে আছি—
এই ভেবে যে এখনো শ্বাস নিচ্ছি,
অথবা মরে আছি—
কারণ আর কোনো স্বপ্ন আমাকে জাগায় না।
তবুও প্রতিদিন ভোর হয়,
সূর্য ওঠে, পাখি ডাকে—
আমি শুধু তাকিয়ে থাকি,
নিজেকে খুঁজি, কোথাও পাই না।